দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়নে ডাটা ওয়্যারহাউজ স্থাপন করবে বিবিএস

দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়নে আধুনিক ডাটা ওয়্যারহাউজ স্থাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়নে আধুনিক ডাটা ওয়্যারহাউজ স্থাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। ফলে পরিসংখ্যান পরিষেবার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। বিবিএসের ডাটায় সবাই প্রবেশাধিকার পাবে। তবে তথ্য নিতে হলে তাদের ল্যাবে এসে নিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক কবির উদ্দিন আহমেদ।

রাজধানীর বিবিএস মিলনায়তনে গতকাল এক কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়। বিবিএস মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগের মহাপরিচালক মুহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন এবং পরিসংখ্যান ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হামিদুল হক। আরো বক্তব্য দেন কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর তাইয়ং কিম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক কবির উদ্দিন আহমেদ।

বিবিএস জানায়, পরিসংখ্যান পরিষেবার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকল্পটি শুরু হয়, যা ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে সমাপ্ত হবে। এ প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১৪৪ কোটি ৭ লাখ টাকা। যার মধ্যে জিওবি ফান্ড থেকে ৩৭ দশমিক ৯২ কোটি এবং কোইকার অনুদান ১০৬ দশমিক ১৫ কোটি টাকা (প্রকল্প সাহায্য)। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য একটি সমন্বিত ডাটা ওয়্যারহাউজ স্থাপন। বিদ্যমান সার্ভার রুমের সংস্কার। ছোট পরিসরে বিগ ডাটা প্লাটফর্ম স্থাপন। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়ন।

এছাড়া বিগ ডাটা প্লাটফর্মের মাধ্যমে ডাটা একীকরণ, এনক্রিপশন, ভিজুয়ালাইজেশন, রিয়েল-টাইম প্রক্রিয়াকরণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং ডাটা ব্যবস্থাপনা ও বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও অবকাঠামো প্রস্তুত করা হবে। ফলে বিগ ডাটা এবং বিজনেস ইন্টেলিজেন্স (বিআই) ব্যবহার করে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমানে বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত সার্ভারভিত্তিক সিস্টেমগুলোকে সমন্বিত করা হবে।

সার্ভার রুমের অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। সার্ভার ও স্টোরেজ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনয়ন করা হবে। ফলে সার্ভার ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম উন্নয়ন হবে। ডাটা ওয়‍্যারহাউজ প্রতিষ্ঠার ফলে একটি কেন্দ্রীয় স্থানে একই ফরম্যাটে সব ডাটা সংরক্ষণ করা যাবে। এতে ডাটা অ্যাকসেস সহজ হবে এবং সময় ও সম্পদের সাশ্রয় হবে।

আরও